বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

গত ২১  ফেব্রুয়ারি ২০২১ ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে। 
সকাল ৯:৩০ মিনিটে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ভবন থেকে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার ড. মো. মহিউদ্দীনের নেতৃত্বে  প্রভাতফেরি বের করে। যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। 
কর্মসূচীর দ্বিতীয়পর্ব শুরু হয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তার অংশ গ্রহণে একুশভিত্তিক অনলাইন আলোচনা ও মনোজ্ঞ সঙ্গীত দিয়ে। বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. তারিক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনলাইন আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এম. সাইদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ওসমান গনি তালুকদার, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর শহীদুর রহমান। যুক্ত ছিলেন রেজিস্ট্রার ড. মো. মহিউদ্দীন, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. শহিদ উজ জামান, দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: আকরাম হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আলোচকগণ একটি জাতি বা গোত্রের জন্য মাতৃভাষা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কতটুকু গুরুত্ব বহন করে সে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রফেসর ড.এম. সাইদুর রহমান খান তাঁর বক্তব্যে ১৯৯৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভের আশায় ছয় সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য হিসাবে যে সকল উল্লেখযোগ্য ঘটনার সম্মুখিন হোন তার বর্ণনা দেন। তিনি দু’জন মানুষের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যারা ২১ ফেব্রæয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে বিশ্বায়নের চিন্তা করেন সর্বপ্রথম। তাঁরা হলেন কানাডা প্রবাসী জনাব রফিকুল ইসলাম এবং জনাব আব্দুস সালাম।

© Copyright 2021 Varendra University | Developed by IT Office, Varendra University.