Varendra University

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় গত ২৬ মার্চ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদযাপন করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, অনলাইন আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সকাল ৮:৩০ মিনিটে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ভবন প্রাঙ্গনে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. ওসমান গনি তালুকদার-এর নেতৃত্বে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। সেটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা ফটক দিয়ে প্রবেশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। এরপর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান, সাংবাদিকতা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব মো. সাতিল সিরাজ, প্রক্টর ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. মো. হাবিবুল্লাহ ও
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির  আহ্বায়ক ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
শোভাযাত্রা পরবর্তী অনুষ্ঠানে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ওসমান গনি তালুকদার-এর সভাপতিত্বে এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ড. নিবেদিতা রায়-এর সঞ্চালনায় অনলাইন আলোচনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ  বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড.  বিশ্বজিৎ চন্দ। যুক্ত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. এম. সাইদুর রহমান খান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আশিক মোসাদ্দিক। যুক্ত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, কো-অর্ডিনেটর, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
আলোচনা পর্বে আলোচকগণ ভাষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, তরুণ প্রজন্মের দেশের প্রতি কর্তব্য ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান অতিথি প্রফেসর ড.  বিশ্বজিৎ চন্দ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনকে স্মরণে এনে বলেন, ‘ আমাদের যার যা কিছু আছে, তা নিয়েই এ দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করে যেতে হবে। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দেশ ও দশের জন্য কাজ করতে হবে।’ উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এম. সাইদুর রহমান খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মত দুরদর্শি একজন নেতা আমরা পেয়েছি বলেই একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি, সাথে একটি স্বাধীন পতাকা পেয়েছি।’ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ওসমান গনি তালুকদার শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।
কর্মসূচীর দ্বিতীয়পর্ব শুরু হয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে স্বাধীনতা দিবসের  আলোকে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন ছিল অন্যতম।