বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো মিলিয়নএক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মশালা

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো মিলিয়নএক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মশালা
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং MillionX Bangladesh-এর যৌথ উদ্যোগে গতকাল ১২ জানুয়ারি ২০২৬, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে দিনব্যাপী মিলিয়নএক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দ্রুত পরিবর্তনশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং আধুনিক এআই টুলস ব্যবহারে দক্ষ করে তুলতেই এ কর্মশালার উদ্দেশ্য।
কর্মশালায় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মূল সেশন পরিচালনা করেন মোহাম্মদ মাহদী উজ জামান, ডিরেক্টর, প্রফেশনাল স্টাডিজ, ডব্লিউইউএসটি (যুক্তরাষ্ট্র), ফাউন্ডিং কাউন্সিল সদস্য, মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এবং মোস্তাইন বিল্লাহ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মেটিওর্স ডট কম এলএলসি। তাঁরা তাঁদের আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান ব্যবহার, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে এআই-এর ভূমিকা তুলে ধরেন।
 
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোসাররফ হোসেন টিপু, সেক্রেটারিয়েট সদস্য, মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ; শাহিদ হোসেন, ব্র্যান্ড অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ; আলিদ হাসান আকাশ, কো-ফাউন্ডার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর; তানভীর আহমেদ খান, কো-ফাউন্ডার ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা এবং শিশির সরকার, চেয়ারম্যান, রোবাস্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
 
কর্মশালার সমাপনী পর্বে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অতিথিবৃন্দের হাতে উপহার তুলে দেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহমদ হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, আগামী ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য মিলিয়নএক্স ন্যাশনাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিল্ড-এ-থন-এর চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত শীর্ষ ৬০টি দলের মধ্যে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি দল অংশগ্রহণের সুযোগ অর্জন করেছে।
 
প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।